[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ৮৮ ।

[88] خٰلِدينَ فيها لا يُخَفَّفُ عَنهُمُ العَذابُ وَلا هُم يُنظَرونَ

[88] সর্বক্ষণই তারা তাতে থাকবে। তাদের আযাব হালকাও হবে না এবং তার এত অবকাশও পাবে না।

[88] They will abide therein (Hell). Neither will their torment be lightened, nor will it be delayed or postponed (for a while).

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ৮৯ ।

[89] إِلَّا الَّذينَ تابوا مِن بَعدِ ذٰلِكَ وَأَصلَحوا فَإِنَّ اللَّهَ غَفورٌ رَحيمٌ

[89] কিন্তু যারা অতঃপর তওবা করে নেবে এবং সৎকাজ করবে তারা ব্যতীত, নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালূ।

[89] Except for those who repent after that and do righteous deeds. Verily, Allâh is Oft-Forgiving, Most Merciful.

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ৯০ ।

[90] إِنَّ الَّذينَ كَفَروا بَعدَ إيمٰنِهِم ثُمَّ ازدادوا كُفرًا لَن تُقبَلَ تَوبَتُهُم وَأُولٰئِكَ هُمُ الضّالّونَ

[90] যারা ঈমান আনার পর অস্বীকার করেছে এবং অস্বীকৃতিতে বৃদ্ধি ঘটেছে, কস্মিণকালেও তাদের তওবা কবুল করা হবে না। আর তারা হলো গোমরাহ।

[90] Verily, those who disbelieved after their Belief and then went on increasing in their disbelief (i.e. disbelief in the Qur’ân and in Prophet Muhammad SAW) – never will their repentance be accepted [because they repent only by their tongues and not from their hearts]. And they are those who are astray.

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ৯১ ।

[91] إِنَّ الَّذينَ كَفَروا وَماتوا وَهُم كُفّارٌ فَلَن يُقبَلَ مِن أَحَدِهِم مِلءُ الأَرضِ ذَهَبًا وَلَوِ افتَدىٰ بِهِ ۗ أُولٰئِكَ لَهُم عَذابٌ أَليمٌ وَما لَهُم مِن نٰصِرينَ

[91] যদি সারা পৃথিবী পরিমাণ স্বর্ণও তার পরিবর্তে দেয়া হয়, তবুও যারা কাফের হয়েছে এবং কাফের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে তাদের তওবা কবুল করা হবে না। তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব! পক্ষান্তরে তাদের কোনই সাহায্যকারী নেই।

[91] Verily, those who disbelieved, and died while they were disbelievers, the (whole) earth full of gold will not be accepted from anyone of them even if they offered it as a ransom. For them is a painful torment and they will have no helpers.

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ৯২ ।

[92] لَن تَنالُوا البِرَّ حَتّىٰ تُنفِقوا مِمّا تُحِبّونَ ۚ وَما تُنفِقوا مِن شَيءٍ فَإِنَّ اللَّهَ بِهِ عَليمٌ

[92] কস্মিণকালেও কল্যাণ লাভ করতে পারবে না, যদি তোমাদের প্রিয় বস্তু থেকে তোমরা ব্যয় না কর। আর তোমরা যদি কিছু ব্যয় করবে আল্লাহ তা জানেন।

[92] By no means shall you attain Al-Birr (piety, righteousness – here it means Allâh’s Reward, i.e. Paradise), unless you spend (in Allâh’s Cause) of that which you love; and whatever of good you spend, Allâh knows it well.

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ৯৩ ।

[93] ۞ كُلُّ الطَّعامِ كانَ حِلًّا لِبَنى إِسرٰءيلَ إِلّا ما حَرَّمَ إِسرٰءيلُ عَلىٰ نَفسِهِ مِن قَبلِ أَن تُنَزَّلَ التَّورىٰةُ ۗ قُل فَأتوا بِالتَّورىٰةِ فَاتلوها إِن كُنتُم صٰدِقينَ

[93] তওরাত নাযিল হওয়ার পূর্বে ইয়াকুব যেগুলো নিজেদের জন্য হারাম করে নিয়েছিলেন, সেগুলো ব্যতীত সমস্ত আহার্য বস্তুই বনী-ইসরায়ীলদের জন্য হালাল ছিল। তুমি বলে দাও, তোমরা যদি সত্যবাদী হয়ে থাক। তাহলে তওরাত নিয়ে এসো এবং তা পাঠ কর।

[93] All food was lawful to the Children of Israel, except what Israel made unlawful for himself before the Taurât (Torah) was revealed. Say (O Muhammad SAW): “Bring here the Taurât (Torah) and recite it, if you are truthful.”

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ৯৪ ।

[94] فَمَنِ افتَرىٰ عَلَى اللَّهِ الكَذِبَ مِن بَعدِ ذٰلِكَ فَأُولٰئِكَ هُمُ الظّٰلِمونَ

[94] অতঃপর আল্লাহর প্রতি যারা মিথ্যা আরোপ করেছে, তারাই যালেম সীমালংঘনকারী।

[94] Then after that, whosoever shall invent a lie against Allâh, … such shall indeed be the Zâlimûn (disbelievers).

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ৯৫ ।

[95] قُل صَدَقَ اللَّهُ ۗ فَاتَّبِعوا مِلَّةَ إِبرٰهيمَ حَنيفًا وَما كانَ مِنَ المُشرِكينَ

[95] বল, ‘আল্লাহ সত্য বলেছেন। এখন সবাই ইব্রাহীমের ধর্মের অনুগত হয়ে যাও, যিনি ছিলেন একনিষ্ঠ ভাবে সত্যধর্মের অনুসারী। তিনি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না।

[95] Say (O Muhammad SAW): “Allâh has spoken the truth; follow the religion of Ibrâhim (Abraham) Hanifa (Islâmic Monotheism, i.e. he used to worship Allâh Alone), and he was not of Al-Mushrikûn.” (See V.2:105)

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ৯৬ ।

[96] إِنَّ أَوَّلَ بَيتٍ وُضِعَ لِلنّاسِ لَلَّذى بِبَكَّةَ مُبارَكًا وَهُدًى لِلعٰلَمينَ

[96] নিঃসন্দেহে সর্বপ্রথম ঘর যা মানুষের জন্যে নির্ধারিত হয়েছে, সেটাই হচ্ছে এ ঘর, যা মক্কায় অবস্থিত এবং সারা জাহানের মানুষের জন্য হেদায়েত ও বরকতময়।

[96] Verily, the first House (of worship) appointed for mankind was that at Bakkah (Makkah), full of blessing, and a guidance for Al-‘Alamîn (the mankind and jinn).

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ৯৭ ।

[97] فيهِ ءايٰتٌ بَيِّنٰتٌ مَقامُ إِبرٰهيمَ ۖ وَمَن دَخَلَهُ كانَ ءامِنًا ۗ وَلِلَّهِ عَلَى النّاسِ حِجُّ البَيتِ مَنِ استَطاعَ إِلَيهِ سَبيلًا ۚ وَمَن كَفَرَ فَإِنَّ اللَّهَ غَنِىٌّ عَنِ العٰلَمينَ

[97] এতে রয়েছে মকামে ইব্রাহীমের মত প্রকৃষ্ট নিদর্শন। আর যে, লোক এর ভেতরে প্রবেশ করেছে, সে নিরাপত্তা লাভ করেছে। আর এ ঘরের হজ্ব করা হলো মানুষের উপর আল্লাহর প্রাপ্য; যে লোকের সামর্থø রয়েছে এ পর্যন্ত পৌছার। আর যে লোক তা মানে না। আল্লাহ সারা বিশ্বের কোন কিছুরই পরোয়া করেন না।

[97] In it are manifest signs (for example), the Maqâm (place) of Ibrâhim (Abraham); whosoever enters it, he attains security. And Hajj (pilgrimage to Makkah) to the House (Ka’bah) is a duty that mankind owes to Allâh, those who can afford the expenses (for one’s conveyance, provision and residence); and whoever disbelieves [i.e. denies Hajj (pilgrimage to Makkah), then he is a disbeliever of Allâh], then Allâh stands not in need of any of the ‘Alamîn (mankind and jinn and all that exsists).

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ৯৮ ।

[98] قُل يٰأَهلَ الكِتٰبِ لِمَ تَكفُرونَ بِـٔايٰتِ اللَّهِ وَاللَّهُ شَهيدٌ عَلىٰ ما تَعمَلونَ

[98] বলুন, হে আহলে কিতাবগণ, কেন তোমরা আল্লাহর কিতাব অমান্য করছো, অথচ তোমরা যা কিছু কর, তা আল্লাহর সামনেই রয়েছে।

[98] Say: “O people of the Scripture (Jews and Christians)! Why do you reject the Ayât of Allâh (proofs, evidences, verses, lessons, signs, revelations, etc.) while Allâh is Witness to what you do?”

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ৯৯ ।

[99] قُل يٰأَهلَ الكِتٰبِ لِمَ تَصُدّونَ عَن سَبيلِ اللَّهِ مَن ءامَنَ تَبغونَها عِوَجًا وَأَنتُم شُهَداءُ ۗ وَمَا اللَّهُ بِغٰفِلٍ عَمّا تَعمَلونَ

[99] বলুন, হে আহলে কিতাবগণ! কেন তোমরা আল্লাহর পথে ঈমানদারদিগকে বাধা দান কর-তোমরা তাদের দ্বীনের মধ্যে বক্রতা অনুপ্রবেশ করানোর পন্থা অনুসন্ধান কর, অথচ তোমরা এ পথের সত্যতা প্রত্যক্ষ করছ। বস্তুতঃ আল্লাহ তোমাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অনবগত নন।

[99] Say: “O people of the Scripture (Jews and Christians)! Why do you stop those who have believed, from the Path of Allâh, seeking to make it seem crooked, while you (yourselves) are witnesses [to Muhammad SAW as a Messenger of Allâh and Islâm (Allâh’s Religion, i.e. to worship none but Him Alone)]? And Allâh is not unaware of what you do.”

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ১০০ ।

[100] يٰأَيُّهَا الَّذينَ ءامَنوا إِن تُطيعوا فَريقًا مِنَ الَّذينَ أوتُوا الكِتٰبَ يَرُدّوكُم بَعدَ إيمٰنِكُم كٰفِرينَ

[100] হে ঈমানদারগণ! তোমরা যদি আহলে কিতাবদের কোন ফেরকার কথা মান, তাহলে ঈমান আনার পর তারা তোমাদিগকে কাফেরে পরিণত করে দেবে।

[100] O you who believe! If you obey a group of those who were given the Scripture (Jews and Christians), they would (indeed) render you disbelievers after you have believed!

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ১০১ ।

[101] وَكَيفَ تَكفُرونَ وَأَنتُم تُتلىٰ عَلَيكُم ءايٰتُ اللَّهِ وَفيكُم رَسولُهُ ۗ وَمَن يَعتَصِم بِاللَّهِ فَقَد هُدِىَ إِلىٰ صِرٰطٍ مُستَقيمٍ

[101] আর তোমরা কেমন করে কাফের হতে পার, অথচ তোমাদের সামনে পাঠ করা হয় আল্লাহর আয়াত সমূহ এবং তোমাদের মধ্যে রয়েছেন আল্লাহর রসূল। আর যারা আল্লাহর কথা দৃঢ়ভাবে ধরবে, তারা হেদায়েত প্রাপ্ত হবে সরল পথের।

[101] And how would you disbelieve, while unto you are recited the Verses of Allâh, and among you is His Messenger (Muhammad SAW)? And whoever holds firmly to Allâh, (i.e. follows Islâm — Allâh’s Religion, and obeys all that Allâh has ordered, practically), then he is indeed guided to a Right Path.

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ১০২ ।

[102] يٰأَيُّهَا الَّذينَ ءامَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقاتِهِ وَلا تَموتُنَّ إِلّا وَأَنتُم مُسلِمونَ

[102] হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে যেমন ভয় করা উচিৎ ঠিক তেমনিভাবে ভয় করতে থাক। এবং অবশ্যই মুসলমান না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।

[102] O you who believe! Fear Allâh (by doing all that He has ordered and by abstaining from all that He has forbidden) as He should be feared. [Obey Him, be thankful to Him, and remember Him always], and die not except in a state of Islâm [as Muslims (with complete submission to Allâh)].

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ১০৩ ।

[103] وَاعتَصِموا بِحَبلِ اللَّهِ جَميعًا وَلا تَفَرَّقوا ۚ وَاذكُروا نِعمَتَ اللَّهِ عَلَيكُم إِذ كُنتُم أَعداءً فَأَلَّفَ بَينَ قُلوبِكُم فَأَصبَحتُم بِنِعمَتِهِ إِخوٰنًا وَكُنتُم عَلىٰ شَفا حُفرَةٍ مِنَ النّارِ فَأَنقَذَكُم مِنها ۗ كَذٰلِكَ يُبَيِّنُ اللَّهُ لَكُم ءايٰتِهِ لَعَلَّكُم تَهتَدونَ

[103] আর তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জুকে সুদৃঢ় হস্তে ধারণ কর; পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না। আর তোমরা সে নেয়ামতের কথা স্মরণ কর, যা আল্লাহ তোমাদিগকে দান করেছেন। তোমরা পরস্পর শত্রু ছিলে। অতঃপর আল্লাহ তোমাদের মনে সম্প্রীতি দান করেছেন। ফলে, এখন তোমরা তাঁর অনুগ্রহের কারণে পরস্পর ভাই ভাই হয়েছ। তোমরা এক অগ্নিকুন্ডের পাড়ে অবস্থান করছিলে। অতঃপর তা থেকে তিনি তোমাদেরকে মুক্তি দিয়েছেন। এভাবেই আল্লাহ নিজের নিদর্শনসমুহ প্রকাশ করেন, যাতে তোমরা হেদায়েত প্রাপ্ত হতে পার।

[103] And hold fast, all of you together, to the Rope of Allâh (i.e. this Qur’ân), and be not divided among yourselves, and remember Allâh’s Favour on you, for you were enemies one to another but He joined your hearts together, so that, by His Grace, you became brethren (in Islâmic Faith), and you were on the brink of a pit of Fire, and He saved you from it. Thus Allâh makes His Ayât (proofs, evidences, verses, lessons, signs, revelations, etc.,) clear to you, that you may be guided.

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ১০৪ ।

[104] وَلتَكُن مِنكُم أُمَّةٌ يَدعونَ إِلَى الخَيرِ وَيَأمُرونَ بِالمَعروفِ وَيَنهَونَ عَنِ المُنكَرِ ۚ وَأُولٰئِكَ هُمُ المُفلِحونَ

[104] আর তোমাদের মধ্যে এমন একটা দল থাকা উচিত যারা আহবান জানাবে সৎকর্মের প্রতি, নির্দেশ দেবে ভাল কাজের এবং বারণ করবে অন্যায় কাজ থেকে, আর তারাই হলো সফলকাম।

[104] Let there arise out of you a group of people inviting to all that is good (Islâm), enjoining Al-Ma’rûf (i.e. Islâmic Monotheism and all that Islâm orders one to do) and forbidding Al-Munkar (polytheism and disbelief and all that Islâm has forbidden). And it is they who are the successful.

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ১০৫ ।

[105] وَلا تَكونوا كَالَّذينَ تَفَرَّقوا وَاختَلَفوا مِن بَعدِ ما جاءَهُمُ البَيِّنٰتُ ۚ وَأُولٰئِكَ لَهُم عَذابٌ عَظيمٌ

[105] আর তাদের মত হয়ো না, যারা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং নিদর্শন সমূহ আসার পরও বিরোধিতা করতে শুরু করেছে-তাদের জন্যে রয়েছে ভয়ঙ্কর আযাব।

[105] And be not as those who divided and differed among themselves after the clear proofs had come to them. It is they for whom there is an awful torment.

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ১০৬ ।

[106] يَومَ تَبيَضُّ وُجوهٌ وَتَسوَدُّ وُجوهٌ ۚ فَأَمَّا الَّذينَ اسوَدَّت وُجوهُهُم أَكَفَرتُم بَعدَ إيمٰنِكُم فَذوقُوا العَذابَ بِما كُنتُم تَكفُرونَ

[106] সেদিন কোন কোন মুখ উজ্জ্বল হবে, আর কোন কোন মুখ হবে কালো। বস্তুতঃ যাদের মুখ কালো হবে, তাদের বলা হবে, তোমরা কি ঈমান আনার পর কাফের হয়ে গিয়েছিলে? এবার সে কুফরীর বিনিময়ে আযাবের আস্বাদ গ্রহণ কর।

[106] On the Day (i.e. the Day of Resurrection) when some faces will become white and some faces will become black; as for those whose faces will become black (to them will be said): “Did you reject Faith after accepting it? Then taste the torment (in Hell) for rejecting Faith.”

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ১০৭ ।

[107] وَأَمَّا الَّذينَ ابيَضَّت وُجوهُهُم فَفى رَحمَةِ اللَّهِ هُم فيها خٰلِدونَ

[107] আর যাদের মুখ উজ্জ্বল হবে, তারা থাকবে রহমতের মাঝে। তাতে তারা অনন্তকাল অবস্থান করবে।

[107] And for those whose faces will become white, they will be in Allâh’s Mercy (Paradise), therein they shall dwell forever.