[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ২৮ ।

[28] لا يَتَّخِذِ المُؤمِنونَ الكٰفِرينَ أَولِياءَ مِن دونِ المُؤمِنينَ ۖ وَمَن يَفعَل ذٰلِكَ فَلَيسَ مِنَ اللَّهِ فى شَيءٍ إِلّا أَن تَتَّقوا مِنهُم تُقىٰةً ۗ وَيُحَذِّرُكُمُ اللَّهُ نَفسَهُ ۗ وَإِلَى اللَّهِ المَصيرُ

[28] মুমিনগন যেন অন্য মুমিনকে ছেড়ে কেন কাফেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করে। যারা এরূপ করবে আল্লাহর সাথে তাদের কেন সম্পর্ক থাকবে না। তবে যদি তোমরা তাদের পক্ষ থেকে কোন অনিষ্টের আশঙ্কা কর, তবে তাদের সাথে সাবধানতার সাথে থাকবে আল্লাহ তা’আলা তাঁর সম্পর্কে তোমাদের সতর্ক করেছেন। এবং সবাই কে তাঁর কাছে ফিরে যেতে হবে।

[28] Let not the believers take the disbelievers as Auliyâ (supporters, helpers) instead of the believers, and whoever does that will never be helped by Allâh in any way, except if you indeed fear a danger from them. And Allâh warns you against Himself (His Punishment), and to Allâh is the final return.

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ২৯ ।

[29] قُل إِن تُخفوا ما فى صُدورِكُم أَو تُبدوهُ يَعلَمهُ اللَّهُ ۗ وَيَعلَمُ ما فِى السَّمٰوٰتِ وَما فِى الأَرضِ ۗ وَاللَّهُ عَلىٰ كُلِّ شَيءٍ قَديرٌ

[29] বলে দিন, তোমরা যদি মনের কথা গোপন করে রাখ অথবা প্রকাশ করে দাও, আল্লাহ সে সবই জানতে পারেন। আর আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে, সেসব ও তিনি জানেন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ে শক্তিমান।

[29] Say (O Muhammad SAW): “Whether you hide what is in your breasts or reveal it, Allâh knows it, and He knows what is in the heavens and what is in the earth. And Allâh is Able to do all things.”

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ৩০ ।

[30] يَومَ تَجِدُ كُلُّ نَفسٍ ما عَمِلَت مِن خَيرٍ مُحضَرًا وَما عَمِلَت مِن سوءٍ تَوَدُّ لَو أَنَّ بَينَها وَبَينَهُ أَمَدًا بَعيدًا ۗ وَيُحَذِّرُكُمُ اللَّهُ نَفسَهُ ۗ وَاللَّهُ رَءوفٌ بِالعِبادِ

[30] সেদিন প্রত্যেকেই যা কিছু সে ভাল কাজ করেছে; চোখের সামনে দেখতে পাবে এবং যা কিছু মন্দ কাজ করেছে তাও, ওরা তখন কামনা করবে, যদি তার এবং এসব কর্মের মধ্যে ব্যবধান দুরের হতো! আল্লাহ তাঁর নিজের সম্পর্কে তোমাদের সাবধান করছেন। আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি অত্যন্ত দয়ালু।

[30] On the Day when every person will be confronted with all the good he has done, and all the evil he has done, he will wish that there were a great distance between him and his evil. And Allâh warns you against Himself (His Punishment) and Allâh is full of Kindness to the (His) slaves.

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ৩১ ।

[31] قُل إِن كُنتُم تُحِبّونَ اللَّهَ فَاتَّبِعونى يُحبِبكُمُ اللَّهُ وَيَغفِر لَكُم ذُنوبَكُم ۗ وَاللَّهُ غَفورٌ رَحيمٌ

[31] বলুন, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালবাস, তাহলে আমাকে অনুসরণ কর, যাতে আল্লাহ ও তোমাদিগকে ভালবাসেন এবং তোমাদিগকে তোমাদের পাপ মার্জনা করে দেন। আর আল্লাহ হলেন ক্ষমাকারী দয়ালু।

[31] Say (O Muhammad SAW to mankind): “If you (really) love Allâh then follow me (i.e. accept Islâmic Monotheism, follow the Qur’ân and the Sunnah), Allâh will love you and forgive you your sins. And Allâh is Oft-Forgiving, Most Merciful.”

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ৩২ ।

[32] قُل أَطيعُوا اللَّهَ وَالرَّسولَ ۖ فَإِن تَوَلَّوا فَإِنَّ اللَّهَ لا يُحِبُّ الكٰفِرينَ

[32] বলুন, আল্লাহ ও রসূলের আনুগত্য প্রকাশ কর। বস্তুতঃ যদি তারা বিমুখতা অবলম্বন করে, তাহলে আল্লাহ কাফেরদিগকে ভালবাসেন না।

[32] Say (O Muhammad SAW): “Obey Allâh and the Messenger (Muhammad SAW).” But if they turn away, then Allâh does not like the disbelievers

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ৩৩ ।

[33] ۞ إِنَّ اللَّهَ اصطَفىٰ ءادَمَ وَنوحًا وَءالَ إِبرٰهيمَ وَءالَ عِمرٰنَ عَلَى العٰلَمينَ

[33] নিঃসন্দেহে আল্লাহ আদম (আঃ) নূহ (আঃ)­ ও ইব্রাহীম (আঃ) এর বংশধর এবং এমরানের খান্দানকে নির্বাচিত করেছেন।

[33] Allâh chose Adam, Nûh (Noah), the family of Ibrâhim (Abraham) and the family of ‘Imrân above the ‘Alamîn (mankind and jinn) (of their times)

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ৩৪ ।

[34] ذُرِّيَّةً بَعضُها مِن بَعضٍ ۗ وَاللَّهُ سَميعٌ عَليمٌ

[34] যারা বংশধর ছিলেন পরস্পরের। আল্লাহ শ্রবণকারী ও মহাজ্ঞানী।

[34] Offspring, one of the other, and Allâh is the All-Hearer, All-Knower.

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ৩৫ ।

[35] إِذ قالَتِ امرَأَتُ عِمرٰنَ رَبِّ إِنّى نَذَرتُ لَكَ ما فى بَطنى مُحَرَّرًا فَتَقَبَّل مِنّى ۖ إِنَّكَ أَنتَ السَّميعُ العَليمُ

[35] এমরানের স্ত্রী যখন বললো-হে আমার পালনকর্তা! আমার গর্ভে যা রয়েছে আমি তাকে তোমার নামে উৎসর্গ করলাম সবার কাছ থেকে মুক্ত রেখে। আমার পক্ষ থেকে তুমি তাকে কবুল করে নাও, নিশ্চয়ই তুমি শ্রবণকারী, সর্বজ্ঞাত।

[35] (Remember) when the wife of ‘Imrân said: “O my Lord! I have vowed to You what (the child that) is in my womb to be dedicated for Your services (free from all worldly work; to serve Your Place of worship), so accept this, from me. Verily, You are the All-Hearer, the All-Knowing.”

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ৩৬ ।

[36] فَلَمّا وَضَعَتها قالَت رَبِّ إِنّى وَضَعتُها أُنثىٰ وَاللَّهُ أَعلَمُ بِما وَضَعَت وَلَيسَ الذَّكَرُ كَالأُنثىٰ ۖ وَإِنّى سَمَّيتُها مَريَمَ وَإِنّى أُعيذُها بِكَ وَذُرِّيَّتَها مِنَ الشَّيطٰنِ الرَّجيمِ

[36] অতঃপর যখন তাকে প্রসব করলো বলল, হে আমার পালনকর্তা! আমি একে কন্যা প্রসব করেছি। বস্তুতঃ কি সে প্রসব করেছে আল্লাহ তা ভালই জানেন। সেই কন্যার মত কোন পুত্রই যে নেই। আর আমি তার নাম রাখলাম মারইয়াম। আর আমি তাকে ও তার সন্তানদেরকে তোমার আশ্রয়ে সমর্পণ করছি। অভিশপ্ত শয়তানের কবল থেকে।

[36] Then when she gave birth to her [child Maryam (Mary)], she said: “O my Lord! I have given birth to a female child,” – and Allâh knew better what she brought forth, – “And the male is not like the female, and I have named her Maryam (Mary), and I seek refuge with You (Allâh) for her and for her offspring from Shaitan (Satan), the outcast.”

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ৩৭ ।

[37] فَتَقَبَّلَها رَبُّها بِقَبولٍ حَسَنٍ وَأَنبَتَها نَباتًا حَسَنًا وَكَفَّلَها زَكَرِيّا ۖ كُلَّما دَخَلَ عَلَيها زَكَرِيَّا المِحرابَ وَجَدَ عِندَها رِزقًا ۖ قالَ يٰمَريَمُ أَنّىٰ لَكِ هٰذا ۖ قالَت هُوَ مِن عِندِ اللَّهِ ۖ إِنَّ اللَّهَ يَرزُقُ مَن يَشاءُ بِغَيرِ حِسابٍ

[37] অতঃপর তাঁর পালনকর্তা তাঁকে উত্তম ভাবে গ্রহণ করে নিলেন এবং তাঁকে প্রবৃদ্ধি দান করলেন-অত্যন্ত সুন্দর প্রবৃদ্ধি। আর তাঁকে যাকারিয়ার তত্ত্বাবধানে সমর্পন করলেন। যখনই যাকারিয়া মেহরাবের মধ্যে তার কছে আসতেন তখনই কিছু খাবার দেখতে পেতেন। জিজ্ঞেস করতেন “মারইয়াম! কোথা থেকে এসব তোমার কাছে এলো?” তিনি বলতেন, “এসব আল্লাহর নিকট থেকে আসে। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা বেহিসাব রিযিক দান করেন।”

[37] So her Lord (Allâh) accepted her with goodly acceptance. He made her grow in a good manner and put her under the care of Zakariyâ (Zachariya). Every time he entered Al-Mihrâb to (visit) her , he found her supplied with sustenance. He said: “O Maryam (Mary)! From where have you got this?” She said, “This is from Allâh.” Verily, Allâh provides sustenance to whom He wills, without limit.”

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ৩৮ ।

[38] هُنالِكَ دَعا زَكَرِيّا رَبَّهُ ۖ قالَ رَبِّ هَب لى مِن لَدُنكَ ذُرِّيَّةً طَيِّبَةً ۖ إِنَّكَ سَميعُ الدُّعاءِ

[38] সেখানেই যাকারিয়া তাঁর পালনকর্তার নিকট প্রার্থনা করলেন। বললেন, হে, আমার পালনকর্তা! তোমার নিকট থেকে আমাকে পুত-পবিত্র সন্তান দান কর-নিশ্চয়ই তুমি প্রার্থনা শ্রবণকারী।

[38] At that time Zakariyâ (Zachariya) invoked his Lord, saying: “O my Lord! Grant me from You, a good offspring. You are indeed the All-Hearer of invocation.”

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ৩৯ ।

[39] فَنادَتهُ المَلٰئِكَةُ وَهُوَ قائِمٌ يُصَلّى فِى المِحرابِ أَنَّ اللَّهَ يُبَشِّرُكَ بِيَحيىٰ مُصَدِّقًا بِكَلِمَةٍ مِنَ اللَّهِ وَسَيِّدًا وَحَصورًا وَنَبِيًّا مِنَ الصّٰلِحينَ

[39] যখন তিনি কামরার ভেতরে নামাযে দাঁড়িয়েছিলেন, তখন ফেরেশতারা তাঁকে ডেকে বললেন যে, আল্লাহ তোমাকে সুসংবাদ দিচ্ছেন ইয়াহইয়া সম্পর্কে, যিনি সাক্ষ্য দেবেন আল্লাহর নির্দেশের সত্যতা সম্পর্কে, যিনি নেতা হবেন এবং নারীদের সংস্পর্শে যাবেন না, তিনি অত্যন্ত সৎকর্মশীল নবী হবেন।

[39] Then the angels called him, while he was standing in prayer in Al-Mihrâb (a praying place or a private room), (saying): “Allâh gives you glad tidings of Yahya (John), confirming (believing in) the Word from Allâh [i.e. the creation of ‘Īsā (Jesus) A.S., the Word from Allâh (“Be!” – and he was!)], noble, keeping away from sexual relations with women, a Prophet, from among the righteous.”

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ৪০ ।

[40] قالَ رَبِّ أَنّىٰ يَكونُ لى غُلٰمٌ وَقَد بَلَغَنِىَ الكِبَرُ وَامرَأَتى عاقِرٌ ۖ قالَ كَذٰلِكَ اللَّهُ يَفعَلُ ما يَشاءُ

[40] তিনি বললেন হে পালনকর্তা! কেমন করে আমার পুত্র সন্তান হবে, আমার যে বার্ধক্য এসে গেছে, আমার স্ত্রীও যে বন্ধ্যা। বললেন, আল্লাহ এমনি ভাবেই যা ইচ্ছা করে থাকেন।

[40] He said: “O my Lord! How can I have a son when I am very old, and my wife is barren?” (Allâh) said: “Thus Allâh does what He wills.”

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ৪১ ।

[41] قالَ رَبِّ اجعَل لى ءايَةً ۖ قالَ ءايَتُكَ أَلّا تُكَلِّمَ النّاسَ ثَلٰثَةَ أَيّامٍ إِلّا رَمزًا ۗ وَاذكُر رَبَّكَ كَثيرًا وَسَبِّح بِالعَشِىِّ وَالإِبكٰرِ

[41] তিনি বললেন, হে পালনকর্তা আমার জন্য কিছু নিদর্শন দাও। তিনি বললেন, তোমার জন্য নিদর্শন হলো এই যে, তুমি তিন দিন পর্যন্ত কারও সাথে কথা বলবে না। তবে ইশারা ইঙ্গতে করতে পারবে এবং তোমার পালনকর্তাকে অধিক পরিমাণে স্মরণ করবে আর সকাল-সন্ধ্যা তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষনা করবে।

[41] He said: “O my Lord! Make a sign for me.” (Allâh) said: “Your sign is that you shall not speak to mankind for three days except with signals. And remember your Lord much (by praising Him again and again), and glorify (Him) in the afternoon and in the morning.”

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ৪২ ।

[42] وَإِذ قالَتِ المَلٰئِكَةُ يٰمَريَمُ إِنَّ اللَّهَ اصطَفىٰكِ وَطَهَّرَكِ وَاصطَفىٰكِ عَلىٰ نِساءِ العٰلَمينَ

[42] আর যখন ফেরেশতা বলল হে মারইয়াম!, আল্লাহ তোমাকে পছন্দ করেছেন এবং তোমাকে পবিত্র পরিচ্ছন্ন করে দিয়েছেন। আর তোমাকে বিশ্ব নারী সমাজের উর্ধ্বে মনোনীত করেছেন।

[42] And (remember) when the angels said: “O Maryam (Mary)! Verily, Allâh has chosen you, purified you (from polytheism and disbelief), and chosen you above the women of the ‘Alamîn (mankind and jinn) (of her lifetime).”

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ৪৩ ।

[43] يٰمَريَمُ اقنُتى لِرَبِّكِ وَاسجُدى وَاركَعى مَعَ الرّٰكِعينَ

[43] হে মারইয়াম! তোমার পালনকর্তার উপাসনা কর এবং রুকুকারীদের সাথে সেজদা ও রুকু কর।

[43] O Mary! “Submit yourself with obedience to your Lord (Allâh, by worshipping none but Him Alone) and prostrate yourself, and Irkâ’i (bow down) along with Ar-Râki’ûn (those who bow down).”

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ৪৪ ।

[44] ذٰلِكَ مِن أَنباءِ الغَيبِ نوحيهِ إِلَيكَ ۚ وَما كُنتَ لَدَيهِم إِذ يُلقونَ أَقلٰمَهُم أَيُّهُم يَكفُلُ مَريَمَ وَما كُنتَ لَدَيهِم إِذ يَختَصِمونَ

[44] এ হলো গায়েবী সংবাদ, যা আমি আপনাকে পাঠিয়ে থাকি। আর আপনি তো তাদের কাছে ছিলেন না, যখন প্রতিযোগিতা করছিল যে, কে প্রতিপালন করবে মারইয়ামকে এবং আপনি তাদের কাছে ছিলেন না, যখন তারা ঝগড়া করছিলো।

[44] This is a part of the news of the Ghaib (unseen, i.e. the news of the past nations of which you have no knowledge) which We revealed to you (O Muhammad SAW). You were not with them, when they cast lots with their pens as to which of them should be charged with the care of Maryam (Mary); nor were you with them when they disputed

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ৪৫ ।

[45] إِذ قالَتِ المَلٰئِكَةُ يٰمَريَمُ إِنَّ اللَّهَ يُبَشِّرُكِ بِكَلِمَةٍ مِنهُ اسمُهُ المَسيحُ عيسَى ابنُ مَريَمَ وَجيهًا فِى الدُّنيا وَالءاخِرَةِ وَمِنَ المُقَرَّبينَ

[45] যখন ফেরেশতাগণ বললো, হে মারইয়াম আল্লাহ তোমাকে তাঁর এক বানীর সুসংবাদ দিচ্ছেন, যার নাম হলো মসীহ-মারইয়াম-তনয় ঈসা, দুনিয়া ও আখেরাতে তিনি মহাসম্মানের অধিকারী এবং আল্লাহর ঘনিষ্ঠদের অন্তর্ভূক্ত।

[45] (Remember) when the angels said: “O Maryam (Mary)! Verily, Allâh gives you the glad tidings of a Word [“Be!” – and he was! i.e. ‘Īsā (Jesus) the son of Maryam (Mary)] from Him, his name will be the Messiah ‘Īsā (Jesus), the son of Maryam (Mary), held in honour in this world and in the Hereafter, and will be one of those who are near to Allâh.”

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ৪৬ ।

[46] وَيُكَلِّمُ النّاسَ فِى المَهدِ وَكَهلًا وَمِنَ الصّٰلِحينَ

[46] যখন তিনি মায়ের কোলে থাকবেন এবং পূর্ণ বয়স্ক হবেন তখন তিনি মানুষের সাথে কথা বলবেন। আর তিনি সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত হবেন।

[46] “He will speak to the people in the cradle and in manhood, and he will be one of the righteous.”

[০৩] সুরা ইমরান : আয়াত ৪৭ ।

[47] قالَت رَبِّ أَنّىٰ يَكونُ لى وَلَدٌ وَلَم يَمسَسنى بَشَرٌ ۖ قالَ كَذٰلِكِ اللَّهُ يَخلُقُ ما يَشاءُ ۚ إِذا قَضىٰ أَمرًا فَإِنَّما يَقولُ لَهُ كُن فَيَكونُ

[47] তিনি বললেন, পরওয়ারদেগার! কেমন করে আমার সন্তান হবে; আমাকে তো কোন মানুষ স্পর্শ করেনি। বললেন এ ভাবেই আল্লাহ যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। যখন কোন কাজ করার জন্য ইচ্ছা করেন তখন বলেন যে, ‘হয়ে যাও’ অমনি তা হয়ে যায়।

[47] She said: “O my Lord! How shall I have a son when no man has touched me.” He said: “So (it will be) for Allâh creates what He wills. When He has decreed something, He says to it only: “Be!” – and it is